Songs

I have worked with well-known Bangladeshi bands and solo-artists and wrote lyrics that have become wonderful songs in their music.

Some of the well-known songs and their lyrics are here….

পরী

কথাঃ শেখ রানা

সুর, সঙ্গীত ও কন্ঠঃ বাপ্পা মজুমদার

অ্যালবামঃ ধূলো পড়া চিঠি

আজ তোমার মন খারাপ মেয়ে, 

তুমি আনমনে বসে আছো। 

আকাশ পানে দৃষ্টি উদাস, 

আমি তোমার জন্য এনে দেব 

মেঘ থেকে বৃষ্টির ঝিরি ঝিরি হাওয়া, 

সেই হাওয়ায় ভেসে যাবে তুমি। 

আজ তোমার চোখের কোণে জল

বৃষ্টিও অবিরাম কাঁদে

তোমার সাথে সাথে আমার পথে পথে। 

আমি তোমার জন্য এনে দেব

রোদেলা সে ক্ষণ 

পাখিকে করে দেব তোমার আপনজন, 

পরী তুমি ভাসবে মেঘের ভাঁজে

পরী তুমি ভাসবে মেঘের ভাঁজে। 

আজ তোমার জোছনা হারায় আলো

প্রজাপতির ডানায় বিষাদ করে ভর

যখন তখন বিষাদ করে ভর, 

আমি তোমার জন্য এনে দেব

অঝর শ্রাবণ আকাশ ছোয়া জল জোছনা। 

পরী তুমি ভাসবে মেঘের ভাঁজে। 

আজ তোমার মন খারাপ মেয়ে

তুমি আনমনে বসে আছো। 

আকাশ পানে দৃষ্টি উদাস

আমি তোমার জন্য এনে দেব

মেঘ থেকে বৃষ্টির ঝিরি ঝিরি হাওয়া, 

সেই হাওয়ায় ভেসে যাবে তুমি

সেই হাওয়ায় ভেসে যাবে তুমি। 

মার ঘুরিয়ে

অফিশিয়াল থীম সং আই সি সি বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০১১

কথাঃ শেখ রানা

সুর- সঙ্গীতঃ শংকর-এহসান-লয়

কথাঃ রাঘব চট্টোপাধ্যায়

জিতবে এবার জিতবে ক্রিকেট

জিতবে এবার জিতবে ক্রিকেট

আরো জোরে সবার আগে

চতুর্পাশে ক্রিকেট তাপে

চার ছক্কা মাঠ পেরিয়ে

খেলছে দ্যাখো দামাল ছেলে

পেরিয়ে বাঁধা, ঘূর্ণি ধাঁধাঁ, কিংবা গতির তুমুল কোনো ঝড়

বাতাস কেটে, তুমুল বেগে, হাজার উল্লাসে জয়ের নিশান গড়

মার ঘুরিয়ে, উড়িয়ে …

আকাশে আজ তোরই কথা

নীল মেঘ চায় তোর বন্ধুতা

রোদ্দুর তোর সাহস ঘামে

জড়িয়ে দেখ বিজয় আনে

তোকে দেখে তরুণ যুবা, হাজার অযুত দৃপ্ত শপথ

তোকে দেখে সবুজ পাতা, বৃষ্টি ভেজা এই যে পথ

মার ঘুরিয়ে, উড়িয়ে …

গ্যালারী দ্যাখো রুদ্ধশ্বাসে, অপেক্ষা আজ বিজয়ীর

শেষ ওভার, বল আসছে ছুটে, বিজয় ছিনিয়ে আনবে বীর

 উল্লাসে তাই পড়ছে ফেটে, হাজার কোটি ক্রিকেট ফ্যান

 ক্রিকেট জ্বরে পুড়ছে বিশ্ব, ক্রিকেট ক্রিকেট গাই জয়গান

মার ঘুরিয়ে, উড়িয়ে

জিতবে এবার জিতবে ক্রিকেট।

বৃষ্টি পড়ে

কথাঃ শেখ রানা

সুর, সঙ্গীত ও কন্ঠঃ বাপ্পা মজুমদার

ব্যান্ডঃ দলছুট

অ্যালবামঃ হৃদয়পুর

 

বৃষ্টি পড়ে

 অঝোর ধারায়

 বৃষ্টি পড়ে

 লজ্জা হারায়

 বৃষ্টি পড়ে

 জলে ভিজে

 ঐ মেয়েটি

 কে, কি যে!

 বৃষ্টি পড়ে

 মনে মনে

 বৃষ্টি পড়ে

 আলিঙ্গনে

 জোছনা রাতে

 নীল আকাশে

 ছন্দে তালে

 অঝোর ধারায়

বৃষ্টি পড়ে…

ফিরে পেতে চাই

কথাঃ শেখ রানা

সুর- সঙ্গীতঃ বাপ্পা মজুমদার

কন্ঠঃ সঞ্জীব চৌধুরী-বাপ্পা মজুমদার

ব্যান্ডঃ দলছুট

অ্যালবামঃ আকাশচুরি

আমি ফিরে পেতে চাই

সেই বৃষ্টি ভেজা সুর

আমি ফিরে পেতে চাই

সাত সুখের সুমুদ্দুর

শুধু একটিবার তুমি বৃষ্টি ঝরাও

ফিরে চাও,

শুধু একটিবার তুমি স্বপ্ন ওড়াও

ফিরে চাও,

আমার সুরের সাথে তোমার সুর মেলাও…

তীর হারা এই দুঃসময়ে

স্বপ্ন ডাক দেয়

হাতছানিতে যাই হারিয়ে

আঁধার অচেনায়

আমার গানের সাথে তোমার গান মেলাও…

কোন গভীরে ডুবে ছিলে

কোন সে মোহনায়

যাই সীমানা যাই পেরিয়ে

তোমার আঙ্গিনায়

চোখের পলক চোখে,ঘুম কি একা তার! একাকার…

গাছ

কথাঃ শেখ রানা

সুর-সঙ্গীতঃ বাপ্পা মজুমদার

কন্ঠঃ সঞ্জীব চৌধুরী

ব্যান্ডঃ দলছুট

অ্যালবামঃ হৃদয়পুর

খোলা আকাশ

একটি গাছ।

সবুজ পাতা

একটি গাছ।

একটি স্মৃতির গাছ

আজন্ম লালিত বীজ

আজন্ম স্মৃতির চাষবাস।

অনেক কথা

একটি গাছ।

অনেক ব্যথা

একটি গাছ।

একটা সময়ের চিন্হ

দাগ কাটে, হৃদয় গভীরে

একটি গাছ ; অনুভুতি ভিন্ন।

ভালোবাসা কত …

একটি গাছ।

দুঃখে ক্ষত …

একটি গাছ।

একটি শৈশব

ঘিরে থাকে একটি গাছ।

সবুজ যখন

কথাঃ শেখ রানা

সুর, সঙ্গীতঃ বাপ্পা মজুমদার

কন্ঠঃ সঞ্জীব- বাপ্পা

ব্যান্ডঃ দলছুট

অ্যালবামঃ হৃদয়পুর

সবুজ যখন বাঁধে বাসা

গাছের পাতায়,বনে

মনে তখন দুঃখ লুকায়

অন্তগহীন কোনে

বৃষ্টি যখন সুরের সাথে

রিমঝিমিয়ে ঝরে

কান্নাগুলো চোখের মায়া

ছিন্ন করে পড়ে

সূর্য যখন জাগায় ভুবন

পাখির শীষে ভোর

আমার কেনো উদাস দুপুর

বিরহী প্রহর

চাঁদকে যখন দেখি অনেক

আলো দিয়ে ঘেরা

আমার কেনো হয়না তবু

আলোর পথে ফেরা

বুড়ি

কথাঃ শেখ রানা

সুর, সঙ্গীত ও কন্ঠঃ বাপ্পা মজুমদার

অ্যালবামঃ রাতপ্রহরী

গ্রামে নয়, গঞ্জে নয়

নয়কো স্বপ্ন ঘুমে

তোমার সাথে দেখা হবে

তাপানুকূল রুমে।

যৌবনের এই উচ্ছলতার

হঠাৎ থামবে ঘুড়ি

আমার মাথা গড়ের মাঠ

তুমি হবে বুড়ি।

কফি হবে, হুইস্কি হবে

জেগে থাকা রাত

চাউমিন আর ফ্রাইড রাইস

লজ্জা পাবে ভাত।

দু’চোখ ভরা এ মুহূর্ত

স্বপ্ন অনন্য

তোমার আমার জীবন হবে

কোলাহলে বন্য।

সামনে দাঁড়া

সুর, সঙ্গীত ও কন্ঠঃ বাপ্পা মজুমদার

 ব্যান্ডঃ দলছুট

অ্যালবামঃ আয় আমন্ত্রণ

আঁধার শেষে

আলোয় হেসে

সুর্য আকাশ

বুকে ধরে,

সামনে দাঁড়া।

ভিড়ের মানুষ

আর কতকাল!

ওঠ জেগে ওঠ

নতুন সকাল,

অপেক্ষাতে

তোরই জন্য

হাজার অযুত

নাড়ছে কড়া

ভিড় ঠেলে আয়

সামনে দাঁড়া।

অন্য কোথাও

পুড়ুক রোদে

বিপন্ন সুখ

অচিন ক্রোধে

সামনে দাঁড়া,

ভুল ধারাপাত

অনেক হলো

অনেক হলো

জোছনা তারা,

ওঠ জেগে ওঠ

ব্যাকুল ভোরে

হাতে রাখ হাত

দিস ইশারা।

মেঘবালিকা

সুর, সঙ্গীত ও কন্ঠঃ বাপ্পা মজুমদার

অ্যালবামঃ সূর্যস্নানে চল

মেঘবালিকা এসো

আমার কাছে এসো

আমার স্বপ্ন তোমায় দিলাম

আমায় ভালোবেসো

মেঘবালিকা এসো

মেঘকে দিয়ে ছুটি

তোমার জন্য আছে জমা

সুদিনের কথাটি

মেঘবালিকা এসো

চোখে রাখো চোখ

ভিজবে তোমার হৃদয় আগুন

বৃষ্টি হোক না হোক

মেঘবালিকা এসো

মৌন তেপান্তর

কেউ কখনো জানবেনা এই

মেঘবালিকার খবর

মেঘবালিকা এসো …

শঙ্খ ভালোবাসা

সুর, সঙ্গীত ও কন্ঠঃ বাপ্পা মজুমদার

অ্যালবামঃ দিন বাড়ি যায়

কাকে আমি নামটা ধরে ডাকি

কে বা বলো মুখটা তুলে চায়

আমার চোখে অন্য দুটি চোখ

স্বপ্ন সমান সমুদ্র ভাবায়

              আমি শুধু চোখটা খুঁজে ফিরি

              আমার চোখে জলও ছবি আঁকে

              ঐ মেয়েটা আমার মতই একা

              আমার মতো খোঁজে কি মেঘটাকে?

              আমার মতোই খোঁজে কি মেঘটাকে?

মেঘের মেয়ে,আকাশটা আজ নীল

দখীন হাওয়ায় উড়ছে শঙ্খচিল

দিলাম তোমায় স্বপ্ন সমান আশা

দিলাম তোমায় শঙ্খ ভালোবাসা

শঙ্খচীলের ডানায় ভালোবাসা …

শূন্য হৃদয়

সুর, সঙ্গীত ও কন্ঠঃ বাপ্পা মজুমদার

অ্যালবামঃ ক’দিন পরেই ছুটি

শূন্য হৃদয়
কত কথা কয়
অন্য হৃদয় থাকে নিরুত্তর
ভাবনার পাখা
উড়ে উড়ে যায়
কেউ পায় না কারো খবর।

একটা হৃদয়
বেহিসেবি খুব
জোয়ার জাগে তবু ভাটাতেই সুখ,
অন্য হৃদয়
হিসেব কষে যায়
সুখের আশায় সে উন্মুখ।

দহন লাগা তৃষ্ণা নিয়ে

এ হৃদয় যাযাবর…
ভাবনার পাখা

উড়ে উড়ে যায়

কেউ পায় না কারো খবর।

একটা চোখে
স্বপ্ন আকাশ
বর্ষার মেঘ, বৃষ্টি বাতাস
অন্য চোখে 
জোছনা পড়ে না
জলজোছনার আদর সে পায়না।

দহন লাগা তৃষ্ণা চোখে

এ হৃদয় যাযাবর
ভাবনার পাখা

উড়ে উড়ে যায়,

কেউ পায়না কারো খবর।

বিষাদী আকাশ

সুর, সঙ্গীত ও কন্ঠঃ বাপ্পা মজুমদার

অ্যালবামঃ টিউন ইন রেডিওম্যানিয়া

বিষাদী আকাশ

বৃষ্টি নামে আজ এ রাতে

নির্বাসনে নীল

আঁধারে গাংচিল এ রাতে

বৃষ্টি ভেজা এই যে রাত

জলটা তোমায় চুমু দিক অধরে

থেকো না আজ একাকী

থেকো না মেয়ে, থেকো না ঘরে …

হাওয়ায় লাগে জোর

বৃষ্টিতে রাত ভোর

ঝিরিঝিরি মন দখিনা,

আমায় সাথে নাও

একই সুরে গাও

একলা হয়ে আর থেকো না …

ইচ্ছেগুলো সব

তোমার অনুভব

পাখী হয়ে ডানায় যাক ভেসে

ঘুমহারা দু’চোখ

বৃষ্টি তোমার হোক

দুঃখ গুলো ভুলো নিমিষে …

বিশ্বাসেতে বস্তু মেলায়

সুর সঙ্গীত ও কন্ঠঃ বাপ্পা মজুমদার

অ্যালবামঃ রাতের ট্রেন

তোমার আমার মাঝে

ছিল আরেকজন

সেই জনেতে ভেঙে দিল

তোমার আমার মন

বন্ধু শুনিয়েছি তোমায় আমি

ঐকতানের সুর

বিশ্বাসেতে বস্তু মেলায়, তর্কে বহুদূর।

আসা যাওয়ার মেলায় আকন্ঠ ডুবে যাই

বিষাদী সকালে একা গান গাই

বুকের শিরা ধরে ঝুলে থাকে সুর

বিশ্বাসেতে বস্তু মেলায় তর্কে বহুদূর।

অবিশ্বাসের দেয়াল ভেঙ্গে হাত বাড়িয়ে দেখো

বিশ্বাস যা বুকের মাঝে শক্ত করে রাখো

আসল বন্ধু চিনবে তবে হবে নাকো ভুল

বিশ্বাসেতে বস্তু মেলায় তর্কে বহুদূর।

পাখি

সুর ও সঙ্গীতঃ বাসু

কন্ঠঃ মিজান

অ্যালবামঃ একটি নারী অবুঝ

পাখি উড়ে যায়
কবিতার ডানা মেলে
একা বসে হায়
কত কী যে মনে দোলে
আমার ভাবনাগুলো কবিতা হয়না
আমি স্বপ্ন এখন তেমন আর দেখি না।
পাখি উড়ে যায়, উড়ে যায়…ডানা মেলে উড়ে যায়

বৃষ্টির রিমঝিম প্রহরে
একাকী জীবন আমার আনমনা
কষ্টে যায় ভেসে যায়
কষ্টে ভাঙলো বুঝি হৃদয়ের আঙিনা
তবু স্বপ্নবিলাসী এই আমি, খুঁজে পাইনি কারো ঠিকানা।

মনেরই গভীরে
রংধনু মিশে থাকে কল্পনায়
নয়নজোড়া ঘিরে থাকে স্বপ্নরেনু
 হৃদয়ের আঙিনায়
তবু স্বপ্ন বিলাসী এই আমি, খুঁজে পাইনি কারো ঠিকানা।

ভালোবাসা

সুর সঙ্গীত ও কন্ঠঃ বাপ্পা মজুমদার
অ্যালবামঃ ধুলো পড়া চিঠি

ভালোবাসা জন্ম নেয়
ভালোবাসার মৃত্যু দিনে
ভালোবাসা শুদ্ধ হয়
ভালোবাসার সত্য চিনে

সন্তরণে যায় যে ভেসে
ভালোবাসা অবশেষে…

ভালোবাসা অগ্নি জলে
ভালোবাসার কথা বলে
ভালোবাসা স্পর্শকাতর
ভালোবাসা হৃদয় চাদর

সন্তরণে যায় যে ভেসে
ভালোবাসা অবশেষে…

ভালোবাসা মেঘের খাতায়
ভালোবাসার পদ্য আঁকা
ভালোবাসা কে জানে কই
ভালোবাসার তল যে অথৈ

সন্তরণে যায় যে ভেসে
ভালোবাসা অবশেষে…

মনের ঘুড়ি

সুর সঙ্গীত ও কন্ঠঃ বাপ্পা মজুমদার

অ্যালবামঃ কদিন পরেই ছুটি

মনের ঘুড়ি এক কিশোরী

দেই উড়িয়ে

একটি পাখি ঐ ঘুড়িতে

ডানা মেলে

মন ময়ুরী মনের ভেতর

পেখম তোলে

শুভেচ্ছা থাক সেই কিশোরী

ভালো থেকো

মনের মাঝে ছোট্ট করে

স্বপ্ন এঁকো

ভালোবেসো স্বপ্ন তোমার

ভালোবেসো

মনের মাঝে রঙধনু রঙ

একটু হেসো

ভালোবাসার মানে

সুর সঙ্গীত ও কন্ঠঃ বাপ্পা মজুমদার

অ্যালবামঃ দিন বাড়ি যায়

ভালোবাসার মানেটা কি

না বুঝে মন পোড়ে হায়

ভালোবাসার মানে বুঝিনা

এক জনমে হয়না যে চেনা

এলোমেলো বাতাস করে আনাগোনা

মনটা আমার আমি খুঁজি না

একটা দুটো উদাসী ক্ষণ

উদাস থাকে ভাবনায়

ভাবনাগুলো উড়িয়ে দিয়ে

মিশে গেল মোহনায়…

আমার মনে স্বপ্ন বাজে

দোলায় আমায় রাত্রিদিন

রাতটা খুঁজি ভোরের কাছে

থাকি আমি স্বপ্নহীন…

চার দেয়ালে

কথাঃ শেখ রানা

সুরঃ রাতুল

সঙ্গীত ও কন্ঠঃ বাপ্পা মজুমদার

ব্যান্ডঃ দলছুট

অ্যালবামঃ জোছনাবিহার

চার দেয়ালে বন্দী ভোরের ঘুম

দরজাটাতে অনেক দিনের ঘুণ

জানলা ছুঁয়ে কোন সে দূরের মেঘ।

মনের ভেতর ভুলগুলো ভুল

ভুল শরীরে বাস

চোখের কোনে জলন্ত সব রাত

প্রসারিত হাতের মাঝে ভুলের চাষবাস

চার দেয়ালে বন্দী ভোরের ঘুম…

অন্য মানুষ বুকের ভেতর

মনের ভেতর বাস

বুকটা জুড়ে অচেনা চাষবাস

অচিন হাওয়া জানলা জুড়ে

পোড়ায় বারোমাস

দরজাটাতে অনেক দিনের ঘুণ

বৃষ্টির গান

কথাঃ শেখ রানা

সুর সঙ্গীত ও কন্ঠঃ পার্থ বড়ুয়া

অ্যালবামঃ মুখোশ

স্বপ্নগুলো যখন আমার

একলা হলো

ঠিক তখনই দূরে কোথাও

আকাশ ছুঁয়ে মেঘ মল্লার

বৃষ্টি এলো

বৃষ্টিগুলো পাখির ডানায়

ডাক পাঠালো…

ডাক পাঠালো অঝোর ধারায়

সুরের কারুকাজ

বৃষ্টি এলো, পাহাড় উদাস

উদাস আমি আজ

দূরে কোথাও অলক্ষ্যে খুব

কে তাকালো?

বৃষ্টিগুলো পাখির ডানায় ডাক পাঠালো

আর বৃষ্টি এলো…

বৃষ্টিগুলো দেয়াল ছুঁয়ে

ধোঁয়া হয়ে যায়

কোন সুদূরে বৃষ্টি নামে

অচীন ইশারায়

বৃষ্টি ভেজে জোড়া শালিক

খুব গোপনে

বৃষ্টি ভেজা ভালোবাসার নিমন্ত্রণে

সেই নিমন্ত্রণে…

মুখোশ

কথাঃ শেখ রানা

কন্ঠ, সুর ও সঙ্গীতঃ পার্থ বড়ুয়া

অ্যালবামঃ মুখোশ

মুখোশে ঢেকে যায় একে একে সব

চেনা মুখ, চেনা পথ চেনা চেনা কলরব


কথা আর কাব্যে বাড়ে ব্যবধান

মুখোশটা চেনা থাক, অচেনা শ্লোগান


পরিযায়ী পাখিরা দূরে সরে যায়

সবুজ হারায় তার চেনা চেনা অধ্যায়


তমসায় ঢেকে যায় চেনা দেহমন

চেনা মুখ হয়ে যায় অচেনা কখন


ভালো লাগে না এই মুখোশের খেলা

জমা হয় কালোরাত বাড়ে কালবেলা


নৌকা ভাসান দেই স্বপ্নের গান

মুখোশটা চেনা থাক, সাধু সাবধান।

শহর ও মেঘদল

কথাঃ শেখ রানা

সুর সঙ্গীত ও কন্ঠঃ পার্থ বড়ুয়া

অ্যালবামঃ মুখোশ

ইট কাঠ কংক্রিট

আকাশটা ঢেকে যায়

এ শহরে মেঘদল 

একা একা থেকে যায়।


দেখা নেই সবুজের

বনবাস পাখিদের

বিষন্ন ঝাউগাছ

ধূলো জমা অতীতের।


গোধূলী আসে না

কালো ধোঁয়া চারপাশ

বিবর্ণ দিনরাত

শহরে বারো মাস।

নস্টালজিয়া

কথাঃ শেখ রানা

সুর সঙ্গীত ও কন্ঠঃ পার্থ বড়ুয়া

অ্যালবামঃ মুখোশ

যে দিন চলে যায়

যে রাতটা ঘুমায়

যে কথা বলা হয়ে যায়

মুহূর্ত, সময়

ফিরে আসে না।


মনের উঠোনে কৈশোর

দূর থেকে ধুসর

রোদ ছায়া অনুভূতি

নির্মেঘ জোছনা নিশুথি

ফিরে আসে না।


যে সুর ছুঁয়ে যায়

যে মনটা হারায়

যে আকাশ তারায় তারায়

যে ছন্দ হারায়

ফিরে আসে না।

একজন লাকী আখান্দ

কথাঃ শেখ রানা

সুরঃ আশফাকুল বারি রুমন

সঙ্গীতঃ ফোয়াদ নাসের বাবু

কন্ঠঃ ফোয়াদ নাসের বাবু ,সুমন (পেন্টাগন), রুমন (পার্থিব), রনি (পার্থিব), সুজন আরিফ, রমা, আর্নিক, লুমিন (ফিডব্যাক), কিবরিয়া

আবার কোন সন্ধ্যা হাওয়ায় দুজন

অজানাতে ঘুরে আসার সুরে

ভালবাসার সহস্র সব কথা

পিয়ানোতে বাঁধছে ঘুরে ঘুরে।

নীল মনিহার তোমার জন্য বন্ধু

স্বর্নালী দিন, মনে রাখার দুপুর

স্বাধীনতার গান, বেঁধেছ মনে

বাংলাদেশের বৃষ্টি আকাশ উপুড়।

প্রহরগুলো কবিতাতে আঁকা

রাতের আছে নীরবতা, ছায়া

একটা মানুষ, সুর ধরছে একা

অলক্ষ্যে তার অপরুপ মায়া

কিংবা ধরো, মামুনিয়ার খুশি

ছুঁয়ে গেল সবার হৃদয় কোনে

লাকী আখান্দ, সেই মানুষের নাম

সুরের খেয়ায় আনন্দ বিজনে।

কী অভিনয়!

কথাঃ শেখ রানা

সুর ও সঙ্গীতঃ বাপ্পা মজুমদার

কন্ঠঃ সুমনা রহমান

(সিলন সুপার সিঙ্গার মৌলিক গান পর্ব)

 মালা পড়ে

নীল আকাশে

মেঘমালা হয়,

বুকের ভিতর

দুঃখ পুষে

কী অভিনয়


সেই কবেকার

বৃষ্টি পড়ে

অঝোর ধারায়

কথা ছিল

বৃষ্টি হবে

কথা হারায় …


আজ কথা নেই

আজ নেই কিছু

আকাশ প্রদীপ

তন্দ্রা চোখে

খুঁজছে কাকে

কার মনোদ্বীপ


সেই কবেকার

ভুল পরিণয়

বরষা রাতে

কার চোখে জল

কপোল জুড়ে

স্মৃতি আঁকে?


মেঘমালা সে

মেঘের কাছে

কোন সুদূরে

একাকী রাত

একাকী দিন

যাচ্ছে পুড়ে


তীব্র দহন

বুকের খরায়

আমার জীবন

মেঘমালা, যাও

তাকে বলো 

বৃষ্টি ভীষণ


অঝোর ধারায়

আজ ঝরে যায়

ঝরো আরো

মেঘমালা তার

মনের কথা

বলতে পারো?

নদীর কাছে

কথাঃ শেখ রানা

সুর ও সঙ্গীতঃ বাপ্পা মজুমদার

কন্ঠঃ

(সিলন সুপার সিঙ্গার মৌলিক গান পর্ব)

নদীর কাছে গল্প আছে

ঢেউ এর আছে ঝড়

তোমার চোখে আমার কালো

দেখুক তেপান্তর।


মেঘের আছে পত্রমিতা

পাতায় পাতায় নীল

আকাশ নীলে ডাক পাঠাবো

মধুর অন্ত্যমিল।


পথের আছে ধূলিকণা 

উড়ু উড়ু মন

মনের সাথে মনের দেখা

হবে আজীবন।


ভালোর কাছে বাসা মিলে

ভালো বাসা হয়

সেই ভালোতে তুমি আমি

এক পৃথিবীময়।

বৃষ্টি কথা হোক

কথাঃ শেখ রানা

সুর ও সঙ্গীতঃ জয় শাহরিয়ার

কন্ঠঃ বাপ্পা মজুমদার

অ্যালবামঃ বৃষ্টি কথা হোক

আজ বৃষ্টির ইশকুল খোলা, অফিস বন্ধ তাই
 দুজন মিলে বৃষ্টি মাখি, সাথে এক কাপ চা
বৃষ্টি দুপুর, শান্ত হৃদয়, মাটির সোঁদা গন্ধে
 নাম না জানা পাখির ডানায় বাতাস উড়ে যা


আজ বৃষ্টির ইশকুল খোলা, ভালোবাসাবাসি দিন…

আজ বৃষ্টির ইশকুল খোলা, সুমনের গান হবে
এই শহর জানে আমার প্রথম মুগ্ধ চোখ
তোমার হাসিতে চমকে দেখি, মেঘের কাহার যায়
মেঘের সাথে মেঘের কিছু বৃষ্টি কথা হোক


আজ বৃষ্টির ইশকুল খোলা, আলসি-তে এলোচুল…

আজ বৃষ্টির ইশকুল খোলা, বৃষ্টি ফোঁটার দল
টিফিন টাইমে খেলবে সবুজ জলের সন্তরণ
শেষ হয়ে গেছে আমাদের চা, বৃষ্টি হচ্ছে জোর
বিকেলের আজ মন ভালো তাই সন্ধের ভ্রমণ


আজ বৃষ্টির ইশকুল খোলা, ছুটিতে আঁধার রাত…

আজ বৃষ্টির ইশকুল খোলা, আমাদের আজ ছুটি
চলো একসাথে জলছাদে যাই, সিড়িঘরে দু’মিনিট
ছাদের দরজা খুলতেই লাগে ঝাপটা বাতাসের
ভালোবাসাবাসির এমন দিনে ভালোবাসা-টাই ঠিক

আজ বৃষ্টির ইশকুল খোলা, কি যে মধুর দিন…

বৃষ্টির ইশকুল

কথাঃ শেখ রানা

সুর, সঙ্গীত ও কন্ঠঃ সন্ধি

বর্ষা মাদল মন

জোষ্ঠ প্রহর শেষ

ভাবছে গোলাপ বৃষ্টি হবে

ছাদের টবে বেশ।

ভাবছি আমি ফুলের মত

বৃষ্টি আসুক অবিরত

অঝোর ধারায় ভিজব দুজন

ভিজবে টবের ফুল

আষাঢ় মাসে যায় খুলে যায়

বৃষ্টির ইশকুল।


কে কে যাবি বৃষ্টি নগর

সুরের খেয়ায় এসব খবর

পৌঁছে যাবে তোদের কাছে

আয় রে আমন্ত্রণ

আষাঢ় শ্রাবণ এই দুটো মাস

বৃষ্টি মেখে মুগ্ধতা চাস?

তোর চোখে চোখ একটু তাকাস

না হয় হলোই ভুল

আষাঢ় মাসে যায় খুলে যায়

বৃষ্টির ইশকুল।


জানলা গ্রিলে চোখ

বৃষ্টি পথের বাঁক 

দুঃখরা অবোধ

দেয়াল জুড়ে থাক

হোক প্রতিদিন বৃষ্টি শীতল

সবুজ মাঠে সবুজ প্রবল

মাটির গন্ধ, গন্ধ সোঁদা

প্রথম কদম ফুল

আষাঢ় মাসে যায় খুলে যায় বৃষ্টির ইশকুল।

সেই হৃদয়ের কাছে

কথাঃ শেখ রানা

সুর ও সঙ্গীতঃ কেতন শেখ

কন্ঠঃ কেতন শেখ ও অবন্তি সিঁথি

এক পৃথিবীর ধল প্রহরে

একটা হৃদয় নজর কাড়ে

যে হৃদয়ে আকাশ সমান

ভালোবাসা আছে

আমার হৃদয় তুলে দিলাম

সেই হৃদয়ের কাছে।


দুজন চলো মেঘের দেশে

মিঠাই উড়াইএকটু হেসে

আকাশ যখন গোমড়া মুখো

মন খারাপের দিন,

ভালোবেসে ঝরো হাওয়ায়


চলো হই বিলীণ।


অভিমানী সবুজ পাতায়

কাব্য লিখি, প্রেমের খাতায়

ভালবাসার পদাবলী

উজার করে দেই,

চলো দুজন হাঁটাপথে 


হারিয়ে ফেলি খেই। 

পাখি হয়ে ওড়ে

কথাঃ শেখ রানা

সুর সঙ্গীত ও কন্ঠঃ কেতন শেখ

আমি যখন আমার থাকি

তখন আমি খুব একাকী

ভাবনাগুলো মনের ভেতর

পাখি হয়ে ওড়ে,

কেউ জানেনা হাসিমুখে

দুঃখ লুকাই একলা রাতে

গিটার নিয়ে সুরের খেয়ায়

চিলে কোঠার ঘরে।


ব্যস্ত কিছু মানুষ থাকে

এক মুহূর্ত মনে রাখে

পরক্ষণে সবাই কেমন

দূরে সরে যায়

আমি যখন আমার থাকি

একান্ত ভাবনায়।


বন্ধ চোখে পাহাড় সাগর

চোখটা খুলে একলা প্রহর

একলা হয়ে সুরটা সাজাই

নিজের মত করে


আমি যখন আমার থাকি

তখন আমি খুব একাকী

ভাবনাগুলো মনের ভেতর

পাখি হয়ে ওড়ে…

তারুণ্যের আলোকশিখায় বঙ্গবন্ধু

বঙ্গবন্ধু শতবর্ষ উদযাপন থিম সং

কথাঃ শেখ রানা

সুরঃ রাফা

সঙ্গীত আয়োজনঃ রাফা, পাভেল, জেরিম

কন্ঠঃ রাফা, সুফি, শুভ ও সুমী

যে পথ ছিল বন্ধুর পথ

মিছিলে শ্লোগানে দৃপ্ত শপথ

সেই পথে ছিল তরুণের সুর

এগিয়ে যাওয়ার এক মন্ত্র মধুর

যার আহবানে, শ্লোগানে ভাষণে

যুগ থেকে যুগান্তরে

জেগেছিল কাল, আগামী সকাল

তারুণ্যের অন্তরে

আজ বঙ্গবন্ধুর কথা

আমরা বলছি সমস্বরে

ভিড় ঠেলে যে এগিয়ে আসে

সামনে দাঁড়ায়, বাংলাদেশে

তারাই তরুণ, সাহসী নাম

শহর থেকে অচেনা গ্রাম

দেশের সকল ক্লান্তিলগ্নে, এক হয়ে পরস্পরে

আজ বঙ্গবন্ধুর কথা, আমরা বলছি সমস্বরে

আজ যে তরুণ খেলছে মাঠে

রাজনীতি পাঠ, কবিতা ক্লাসে

শিখছে গড়ার মন্ত্র স্বদেশ

এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ

যার আহবানে, শ্লোগানে ভাষণে

যুগ থেকে যুগান্তরে

জেগেছিল কাল, আগামী সকাল

তারুণ্যের অন্তরে

আজ বঙ্গবন্ধুর কথা

আমরা বলছি সমস্বরে।

দ্বন্দ্বমুখর

কথা, সুর ও কন্ঠঃ শেখ রানা

সঙ্গীতঃ শুভেন্দু দাস শুভ

অ্যালবামঃ অন্ধ আগন্তুক

ঠিক যেভাবে আকাশ কাঁদে

ওভার ব্রিজে ঘরছাড়া মুখ

ধোঁয়ার সঙ্গে জীবন বাঁধে

আমি কেবল পার হয়ে যাই

দ্বন্দ্বমুখর ছায়াঘর।

ঠিক যেভাবে বৃষ্টি এসে

দেয়াল লিখন দেয় মুছে দেয়

মিছিল থেকে মিছিল বাড়ে

দৃশ্য থেকে অদৃশ্য হয়

আমি কেবল পার হয়ে যাই

নিজের ছায়া, দ্বন্দ্বমুখর।

ভুল কলমে শব্দ হাসে

শব্দকরের গলার ফাঁসে

সংখ্যা বাড়ে সংখ্যাতীত

কিছু মানুষ চুপ হয়ে যায়

কিছু মানুষ নজর কাড়ে

আমি কেবল পার হয়ে যাই

দ্বন্দমুখর , নিজের ছায়া।

রোদ দুপুরে পথিক হাঁটে

হিসেব মেলায় কর্মচারী

মুখ বুজে সব সয়ে নিয়ে

রাখাল বালক একলা ভারি

অনুকূলে বাতাস দিচ্ছো

প্রতিকূলে যে যার মাতম

আমি কেবল পার হয়ে যাই

দ্বন্দ্বমুখর, নিজের ছায়া।

সত্য নিখোঁজ

কথাঃ শেখ রানা

সুর ও সঙ্গীতঃ রেজাউল রাসেল

কন্ঠঃ পুতুল

অ্যালবামঃ ক্যাকটাস সময়ের গান

কিছু সুখের রোদেলা সকাল

কিছু সত্য নিখোঁজ 

স্বার্থ সন্ধাকাল।


এখানে বৃষ্টি পড়ে

এখানে মেঘ থমথম

এখানে জোছনা প্রহর

আবার বাতাস ভীষণ


কেউ খোঁজে ভুল পথ

কেউ পায় কিছু না

নগরীর প্রিয় মুখ

ফিরে আসে, আসে না

বৃষ্টি বিনিময়

কথাঃ শেখ রানা

সুর সঙ্গীতঃ বনি আহামেদ

কন্ঠঃ লিমন চৌধুরী

শুরু হোক শ্রাবণে

শেষটাও ফাগুনে

রোদে হোক পরিচয়

বৃষ্টিতে বিনিময়।


বৃষ্টি বিনিময়…



শুরু হোক বরষায়

ঝিরিঝিরি উদাসী

বাতাসে আকাশে

মুগ্ধ বোশেখী


বৃষ্টি বিনিময়…


কথা থাক মৌন

চোখে চোখে অনুনয়

বৃষ্টিতে বিনিময়

বৃষ্টি বিনিময়

চাই চাই

কথাঃ শেখ রানা

কন্ঠ ও সুরঃ পার্থ বড়ুয়া

ব্যান্ডঃ সোলস

জোছনা বিবাগী এক রাত
অন্ধকারের ধারাপাত
একটা ছেলের মেঘ খাতায়
অমরাবতী বৃষ্টি আয়

কি নিদারুণ শূন্য সব লাগে তাই
ভালোবাসার এই রজনী, তুমি নাই …

চাই চাই চাই চাই তোমাকে যে চাই
নাই নাই নাই নাই তুমি পাশে নাই

অঝোর হাসিতে,আয়নার দারুণ খেয়ালে
তোমায় দেখেছি, দেখেছি আড়ালে

আড়াল থেকে কে , কে হেঁটে যায়
ভালোবাসার এই তীব্র খরায়…

দীঘল আকাশে, এক একাকী নিরালায়
তোমাকে খুঁজেছি, খুঁজেছি যে হায়

বেহিসেবী সব, এলোমেলো ক্ষণ
মন খারাপের  আসে লগণ

সবাই তখন আলোর পথে ছিল

কথা, কন্ঠঃ শেখ রানা

সুরঃ এহসান রাহি

সঙ্গীতঃ শুভেন্দু দাস শুভ

অ্যালবামঃ অন্ধ আগন্তুক

সবাই তখন আলোর পথে ছিল

সবার সাথে সবার কথা হলো

আমার না হয় ভুলের বসতবাড়ি

আলোর সাথে লক্ষ দিনের আড়ি

আমার না হয় স্বপ্নে ভালোবাসা

স্বপ্ন ছুঁয়ে জোছনা সমান আশা

আমার না হয় বাতাস বালিয়াড়ি…

বাতাস নিয়ে জেগে উঠে দেখি

সবাই ছিল আলোয় মাখামাখি

আমি না হয় আঁধার রাতের ঘুড়ি

বিষাদ নিয়ে পাখির ওড়াউড়ি

সবাই যখন আলোর পথে ছিল

আমার না হয় বৃষ্টি উঠোন জুড়ে

সবাই কি আর আলোয় থাকতে পারে!

আমি না হয় বিষাদ বুকে রাখি

আঁধার রঙে একটা ছবি আঁকি

আমি না হয় বিষাদ বুকে মাখি

আঁধার রঙে একটা ছবি আঁকি।

মফস্বলের দুপুর

কথা ও কন্ঠঃ শেখ রানা

সুর ও সঙ্গীতঃ বনি আহামেদ

অ্যালবামঃ অন্ধ আগন্তুক

মফস্বলের দুপুরগুলো শান্ত
নাগরিকের মন পাখিটা জানতো?

ব্যাস্ত নগর থাকুক ভুলে ভিড়
দুজন মিলে বেড়িয়ে পড়া দিন
কোন ঠিকানায় যাবো জানিনা
কোন ঠিকানায় ভাবনা অন্তরীণ!

যেসব ভাবনা  পিচ গলা রাস্তায়
একটু এগোয়, থমকে বেশি যায়
সে সব ভাবনা সারাদিনের চাপে
কুঞ্চনে কার কপাল রেখা মাপে!

যা ওরে যা নদী পাড়ে বালি
ঢেউ এর সাথে ঢেউ এর দেখিস তালি
বুনোফুল এর সাথে দেখা হবে
আরশীনগর শেষ কবে, শেষ কবে?

নাগরিকের ফিরে দেখা, আর
মেঘের গায়ে মেঘের কাহার
মফস্বলের বিকেল গুলো নীল
শান্ত উড়ান উড়ছে শঙ্খচিল!

যে দৃশ্য

কথা ও সুরঃ শেখ রানা

কন্ঠঃ শেখ রানা ও জয় শাহরিয়ার

সঙ্গীতায়োজনঃ জয় শাহরিয়ার

বুকের ভিতর

ঘাই মারে যে দৃশ্য

ঘাসের উপর শুয়ে থাকা একদিন

আড়াল থেকে ঘাতকরা অদৃশ্য

মেয়ে তোমার স্বপ্ন-রা বিলীন

বিলীন হলো আমারও সব ভাবনা

মাথার ভিতর আগুনপোকার শ্বাস

রাতের আলোয় আন্ধার সব যাক না

মেয়ে তোমার জন্য সবুজ ঘাস

আর কতদিন বাড়বে নামের সারি

চুড়ি এবং লাল পেরে রঙ শাড়ি

ধর্ষিতা আর শিশু প্রতিদিন খবর হবে

গজ ফিতে কাপড়

তর্ক শেষটা বলো কবে?

তর্কে মাতুক হতচ্ছাড়া কেউ

আমি কেবল আক্ষেপে রইবো না

ধর্ষক পশুটির মৃতুদন্ড

নিশ্চিত না হলে সইবো না

নিয়ন আলো

কথাঃ শেখ রানা

সুর ও কন্ঠঃ এহসান রাহি

সঙ্গীত আয়োজনঃ অটামনাল মুন

নিয়ন আলোয়

দেখছি তোমার মুখ

শহর আমায় থামতে দিচ্ছে না,

নিয়ন আলোয়

দুঃখ এবং সুখ

মেঘ জমছে বৃষ্টি হচ্ছে না

নিয়ন আলোয়

ভিড় বাড়ছে ভিড়

ভিড় সরিয়ে আমি তখন খুঁজছি সবুজ রঙ

নিয়ন আলো, গাছের সবুজ মিলে

চোখটা বুঁজি ভাবনাতে বরং

ভাবনা আমায় ভাবতে দিচ্ছে না…

নিয়ন আলোয় অপরূপ সাঁঝ

বাড়ছে শত অযুত বাহন, ঘর

নিয়ন আলোয় হাটছি, চরাচর

ঝাপসা হয়ে যাচ্ছে সে সব দিন,

নিয়ন আলোয় স্বপ্ন দেখছি না।

তুমি নাই

কথাঃ শেখ রানা

সুর, সঙ্গীত ও কন্ঠঃ বাপ্পা মজুমদার

শ্যামলিতে তোমার কথা ভাবতে ভাবতে যাই

শের শাহ রোডে এসে দেখি তোমার দেখা নাই
ফুল কিনবো বলে আমি শাহবাগে গিয়ে

তোমার জন্য কিনে আনি সবুজ রঙা টিয়ে।

টিয়ে হাতে অবাক কিছু চোখের লক্ষ্য তাই

টি এস সির জনারণ্যেও নাই, তুমি নাই।


অনেক মানুষ, কোলাহলে পাখি উড়ে যায়

দোয়েল চত্বরে এসে আমার তেষ্টা পায়

হাইকোর্টের মাজার গেটে পাকুর গাছের কাছে

তোমার আমার ভালোবাসার গন্ধ লেগে আছে
স্মৃতির এই শহরে কিছু সবুজ খুঁজে পাই

রিকশা করে একা সেগুন বাগিচাতে যাই


সেগুনবাগিচাতে সেগুন গাছের হাহাকার

কোন সড়কে গেলে পাবো তোমার দেখা আর

ভাবনাগুলো মাথার ভেতর ঘুরপাক খায়, ঘোরে

অবাক হয়ে দেখি আমি লালবাগের মোড়ে
লালবাগে তোমার কথা ভাবতে ভাবতে যাই

সাতরওজা এসে দেখি, তোমার দেখা নাই


আনন্দ বেকারিতে যেয়ে বাখরখানি কিনে

খুঁজে যাবো বন্ধু তোমায় অলি-গলি চিনে

তোমার খোজে পুরান ঢাকার গলি থেকে পথ

বেচারাম দেউরিতে গিয়ে করেছি শপথ


এই শহরে নিয়ন জ্বলা রাত্রি দেখে যাই


বুড়িগঙ্গার তীরে দেখি, বন্ধু তুমি নাই

এই শহরের ব্যস্ত পথে

কন্ঠঃ পার্থ বড়ুয়া

সুর, সঙ্গীতঃ বাপ্পা মজুমদার

কথাঃ শেখ রানা

অ্যালবামঃ অচিনপুরের গান

এই শহরের ব্যস্ত পথে

নাম না জানা পথিক হাঁটে

সিগনালে কার মুখের ওপর

লাল নীল-লাল আলো

অনেক দূরে আবছায়াটা তখন লাগে ভালো…

বাড়ি ফেরার তাড়ায় মানুষ

কেউ কাউকে দেখছে না, আর-

ওভারব্রিজে তখন বাড়ে

ভিন্নমুখী রঙের বাহার


অনেক দূরে বিবর্ণ প্রেম, অলক্ষ্যে চমকালো…


একটা  ঘুড়ি আলগোছে যায়

অন্য ঘুড়ি সন্ধ্যা তাপায়

ঘুমঘরে কার স্বপ্ন উজার

অচিন দেশে  চলো


অনেক দূরে বেজান শহর, সন্ধাপ্রদীপ জ্বালো… 

চলে যাওয়া দিন

সুর, সঙ্গীত ঃ বাপ্পা মজুমদার

কন্ঠঃ হাসান আবিদুর রেজা জুয়েল

কথাঃ শেখ রানা

অ্যালবামঃ অচিনপুরের গান

চলে যাওয়া দিন

চলে যাওয়া রাত

ভোরবেলা দিয়ে গেছে

মৌন প্রভাত
মৌনমুখর আমি রাজপথে একা

স্মৃতিগুলি আলগোছে ফিরে ফিরে দেখা…


ফিরে দেখি সাঁঝবেলা

বৃষ্টি ফোঁটায়

বসে আছে একজন

ঘুম বারতায়
মনের গহীণে সে সুদূরচারী

এ শহরে বানিয়েছে মেঘের বাড়ি…


এইসব ফিরে দেখা

নিয়ন রাতে

একটা ভুবনচীল

নীরবে কাঁদে
হেসে ওঠে ঘাসফুল, কেউ দেখেনা

বুকপকেটে জমা হাসনাহেনা…

আজ বৃষ্টিমুখর দিন

কথাঃ শেখ রানা

সুর সঙ্গীত ও কন্ঠঃ বাপ্পা মজুমদার

অ্যালবামঃ অচিনপুরের গান

টিনের চালে রিমঝিম সুর

বারান্দাতে বৃষ্টি মধুর

ভেজা মাটির গন্ধ ব্যাকুল

মেঘের কাছে ঋণ…

আজ বৃষ্টিমুখর দিন। 

তোমার কথাই ভাবছি বসে

জানলা গ্রীলে বৃষ্টি এসে

আমায় নিলো কোন সুদূরে

দেখছো কী আজ এমন করে

বিষাদ অন্তরীন…

আজ বৃষ্টিমুখর দিন। 

বর্ষা, তুমি কোথায় থাকো

সাদা খাতায় আকাশ আঁকো

মেঘের কাছে পত্র পাঠাও

সঙ্গোপনে দুঃখ লুকাও

জলের ধারায় লীন…

আজ বৃষ্টিমুখর দিন।

তবু হইলাম না বাউল

কথাঃ শেখ রানা

সুর ও সঙ্গীতঃ সুদীপ্ত শাহীন

ব্যান্ডঃ গানকবি

আমি বাতাস করিলাম সন্ধান

তবু হইলাম না বাউল

আমার কি যে ছিলো ভুল!

আমি উজান স্রোতে নৌকা ভাসান

দিলাম একা একা

আমার তীর হইলো না দেখা,

আমি বাতাস করিলাম সন্ধান

তবু হইলাম না বাউল।

আমি পূর্ণিমাতে হইয়া বিভোর

প্রশ্ন নিয়া বুকের ভিতর

চোখটা দিয়া দেখলাম আকাশ

দেখলাম না তাহারে

কি যে ভুল, আহারে!

আমি বাতাস করিলাম সন্ধান

তবু, হইলাম না বাউল …

শহরতলীর আকাশ

কথাঃ শেখ রানা

সুর ও কন্ঠঃ মিশু

ব্যান্ডঃ শহরতলী

শহরতলীর আকাশ সেদিন রাতে

মেঘের কাছে পত্র পাঠালো না

মন খারাপের সবুজ গাছও তাতে

মুখটা ফুটে কিছুই বললো না

মার্চ মাসের গুমোট আঁধার কথা

রাস্তা ছেড়ে কালভার্টের পাশে

পিতা খোঁজে হারিয়ে যাওয়া সেই মুখ

মায়ের তখন ভীষণ কান্না আসে

চুলের গোছা, রক্ত মাখা দেহ

মেয়ে তোমার জীবন প্রদীপ শেষ

ধর্ষনে আর থেতলে যাওয়া মাথা

উঠলো মাতম, আমার বাংলাদেশ।

হাসিমুখের তুমি আমার বোন

প্রতিবাদের মশাল উঠলো জ্বলে

ছড়িয়ে গেল পথ থেকে প্রান্তর

ঘাতক শুধু বেড়ায় হেসে খেলে

কথা ছিলো তুমি বেঁচে থাকবে

নিয়ম করে গাইবে প্রিয় সুর

অশ্রু দিয়ে লেখা যে গান

সেই গানটাই গেয়েছে বিধুর।

গোপনে গোপনে

কথাঃ শেখ রানা

সুর ও সঙ্গীতঃ অদিত

কন্ঠঃ ন্যান্সি, কনা, অদিত ও শোয়েব

ছবিঃ পদ্ম পাতার জল

পরিচালনাঃ তন্ময় তানসেন

বাশুরিয়া বাজায় মধুর বাঁশি

সে বাঁশিতে মন উচাটন
হৃদয়ে হৃদয়ে নীরবতায়

ভালোবাসার সুর

সে সুরে কাছে আসে সেই প্রেয়সী

রুপ ছোয়া নুপুর

সব বাঁধা যায় সরে

চোখেরই নজরে

ভালোবাসার এই প্রহরে

ছিল তুমি দূরে

কোন অচিনপুরে

পেয়েছি তোমায় এই অন্তরে


গোপনে গোপনে দুই চোখ

চোখে চোখে কিছু কথা হোক

বিষাদী আকাশে যত জমা মেঘ

মেঘে মেঘে লুকানো আবেগ
ভুলে যাও বিষাদী যত অভিমান

ভালোবাসার আনন্দে আকুল দুটি প্রাণ


ভেবেছিলাম এই আমি

দেবনা ধরা দুটি চোখে, পাগলামি

কি যে হয়ে গেল মনে

ঘুমে জাগরনে

নেকাবের আড়ালে ভীরু হৃদয়

যত দ্বিধা গেল চলে

নীরবে, কোলাহলে

ভালোলাগা, ভালোবাসা হয়।
ঘুলঘুলি আঁধার

ভুল আলো ছায়া

পথ খোজে তীর চোখ

সাবধানী কুহক

ধুলি ওড়ে পথে…

নিয়ন আলোয়

কথাঃ শেখ রানা

সুর ও সঙ্গীতঃ কেতন শেখ

কন্ঠঃ শেখ লানা

অ্যালবামঃ সঙ্গে আমার চল

আজ রাতে আর বাড়ি ফিরব না

চার দেয়ালের কাব্য করব না

আজকে রাতে চলো শহর ঘুরি

নিয়ন আলোয় অপসা অপ্সরি


ফিরে দেখা অতীত কালে যদি

আজকে রাতে দুজন ফিরে যাই

চলো দুজন টমটমেতে উঠি

কোচোয়ানের গল্পটা শুধাই


ঐ দেখো যায় আলাল ও দুলাল

পুরোনো সুর, বাংলা গানের কলি

রাতের ঢাকায় সাদা কালো স্মৃতি

দেখবে চলো? পুরান ঢাকার গলি

তোকে দিলাম সব

কথাঃ শেখ রানা

সুর ও সঙ্গীতঃ কেতন শেখ

কন্ঠঃ শেখ লানা

অ্যালবামঃ সঙ্গে আমার চল

তোকে দিলাম

ভুবন চিলের গান

শান্ত হয়ে নদীর জলে

মাছরাঙা বিশ্রাম


তোকে দিলাম

আলসী দুপুর রোদ

সবুজ গাছের সবুজ পাতার

জীবনটা সহজ


তোকে দিলাম

শীষ দেয়া সব সাঁঝ 

পরবাসী মেঘের ডানায়

বৃষ্টি নামুক আজ


তোকে দিলাম

বৃষ্টি, প্রিয় ক্ষণ

বর্ষা অনুভূতির গানে

উদাস মন পবন

সুরের খেয়ায়

কথাঃ শেখ রানা

সুর ও সংগীতঃ কেতন শেখ

কন্ঠঃ শেখ লানা

অ্যালবামঃ সঙ্গে আমার চল

সুরের খেয়ায় সাঝের সাম্পান

ভাসছে যখন ভাসুক অবিরাম

দুজন চলো জোছনা রাতে সেই

সাম্পানে রাত, ভোরবেলা আসবেই

দুজন চলো জোছনা রাতে যাই

রাত থেকে ভোর স্বপ্নটা সাজাই


রাত করি ভোর, তুমি এবং আমি

একটু না হয় হলোই পাগলামি

ভালোবাসায় পাগলামি হয়, থাকে

ভালবাসা দৃশ্যকল্প আঁকে


চলো দুজন তেপান্তরের কোনে

যাই ছুটে যাই পাহাড় থেকে বনে

সন্ধাতারার সাথে হোক মিতালী

ঢেউ এর সাথে ঢেউ এর বাজুক তালি


অনেকগুলো বিষাদ দিনের পর

মন খারাপের মুহূর্ত চারপাশ

আকাশ দেখে উদাস হচ্ছি না

বাতাসও তাই কেবল দীর্ঘশ্বাস
ঠিক তখনই তোমায় যখন দেখি

মন হয়ে যায় এই পৃথিবীর

অচিন কোনো পাখি


কিছুই যখন লাগছে না ভালো

অপেক্ষাতে প্রহর কাটছে না

সবুজ গাছের পাতায় বৃষ্টি জল

এই আমাকে ধরে রাখছে না
ঠিক তখনই তোমায় যখন পাই

এই পৃথিবীর আলো ছায়ায় স্বপ্নটা সাজাই


রৌদ্রমুখর ব্যালকনি দুপুর

আলসী কাথায় জরিয়ে ধরা ওম

বিবর্ণ সব রঙের আলপনা

সপ্তাহ যায় রবি থেকে সোম

ঠিক তখনই তুমি চলে আসো

রৌদ্র হয়ে আমার চোখে

ছায়ার মত হাসো

বিষাদ কথা কয়

কথাঃ শেখ রানা

সুর ও সঙ্গীতঃ কেতন শেখ

কন্ঠঃ শেখ লানা

অ্যালবামঃ সঙ্গে আমার চল

বিষাদ শব্দে 

সুর ধরেছে গান

বন্ধু তোমার ভাবনা এখন

আমার মতই ম্লান
আমি তো আর

ঘুমের দেশে রোজ

খুঁজছি বলে খুঁজছি কাকে

প্রশ্নটা সহজ
সহজ কিছু নয়

নিঃসঙ্গ প্রহরগুলো

বিষাদ কথা কয়
তিমির আলোয় দূর সুদূরে

সময় কি আর যায়

একা চেয়ার আধ খাওয়া চা

তোমাকে ভাবায়

বন্ধু তুমি অনেক দূরে

কাছে তো কেউ নয়

নিঃসঙ্গ প্রহরগুলো

বিষাদ কথা কয়

এই গানটা

কথাঃ শেখ রানা

সুর -সঙ্গীত ও কন্ঠঃ বাপ্পা মজুমদার

অ্যালবামঃ জানিনা কোন মন্তরে

এই গানটা

বিরহের গান হতে পারতো

আকাশ মিছিলে

মেঘগুলো যদি কালোয় ঢাকতো

এই গানটা

বিরহের গান হতে পারতো

তোমার রাতের ডায়েরিতে

সঞ্জীব যদি থাকতো

এই গানটা

বিরহের গান হতে পারতো

আকাশ মিছিলে

মেঘগুলো যদি কালোয়া ঢাকতো

এই গানটা

বিরহের গান হতে পারতো

এই গানটা

বিরহের গান হতে পারতো

চায়ের কাপে পুড়ছে যে ছাই

আঁধারের রঙ্গে সুর গুলো চাই

গিটারের তারে

আঙুলের ছোঁয়ায় তুমুল বিষাদ উঠতো

এই গানটা

বিরহের গান হতে পারতো

গিটারের তারে

অলক্ষ্যে যদি নিলয় দাস থাকতো

এই গানটা

বিরহের গান হতে পারতো

এই গানটা

বিষাদের সুর শুধু মাখতো

এই গানটা

বিষাদের সুর শুধু মাখতো

রাতগুলো নাগরিক ভোরে

সারারাত কবিতার ঘোরে

দেয়ালে দেয়ালে সন্ধ্যার কাব্য

সন্ধ্যার ছায়া হতে পারতো

এই গানটা

সবার হৃদয়ে আঁকতো

অজানার ঠিকানায়

হাসিমুখে হ্যাপী থাকতো

এই গানটা

বিরহের গান হতে পারতো

আকাশ মিছিলে

মেঘগুলো যদি কালোয় ঢাকতো

আধেক স্বপ্নে

কথাঃ শেখ রানা

সুর-সঙ্গীত ও কন্ঠঃ জয় শাহরিয়ার

অ্যালবামঃ ঠিক এভাবেই

আধেক জাগি 

আধেক ঘুমে রাত

অনেক দূরে শান্ত তেপান্তর

রাতটা ঘুমায় 

কার শিয়রে খুব

আধেক স্বপ্নে 

আমার স্বপ্নঘর।

নিয়ম করে 

ঘুলঘুলি আঁধার

জানলা দিয়ে 

দেখছি জোছনা

রাত চলে যায় 

ভোরের কাছে হায়

আমার কাছে 

তুমি আসো না।


রাতটা ভীষণ 

দীর্ঘ মনে হয়

ভাবনাগুলো অলস 

চায়ের কাপে

অধীর হয়ে

ভাবছে যে কার মুখ

আসবে নাকি 

এ রাত দৃশ্যপটে!

যতন করে

কথা ও সুরঃ শেখ রানা

সঙ্গীত আয়োজনঃ সামির

কন্ঠঃ বুশরা

যতন করে কেউ তো আমার

আরশীনগর দেখলো না

চান্নিপসর রাত্রী গেলো

বন্ধু আমার আইলো না

দিন যে গেল তোমার সনে

উদাস দুপুর বিষাদে

বন্ধু আমার কতদূরে

কোন চোখে আকাশ দেখে

ছায়ার ভিড়ে কোন ছায়াতে

বন্ধুরে তোমায় খুঁজি

চোখের জলে ঝাপসা হয়ে

হারায় যে আমার সবই

কেউ আসেনা প্রহর কাটে

উঠানে জমে ধূলি

নদীর তীরে নৌকা ভাসান

পাল তুলে দুঃখ ভুলি

(ফুটনোটঃ যতন করে গানটা ছাড়াও সামির-বুশরার জন্য আরো কিছু লিরিক লেখা আর সুর করা হয়েছিল। শুকতারা, এই রাতটা আর কারো নয় তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য)

যেথায় আছ যে যেখানে

ধানমন্ডি গার্লস স্কুল রজত জয়ন্তী

থীম সং

কথাঃ শেখ রানা

সুর ও সংগীতঃ বনি আহামেদ

যেথায় আছো যে যেখানে , বাঁধন আছে প্রাণে প্রাণে
প্রাণের এই বাঁধন জুড়ে বন্ধনের এই গান …

অনেক আগের কথা আমার মনে আছে ঠিক
চার দেয়ালের ক্লাসের ভেতর ভবিষ্যতের দিক
ব্ল্যাকবোর্ড আর চকে আঁকা ক্লাস টিচারের লেখা
সবাই মিলে বন্ধু হওয়া, জীবন তো নয় একা

সবাই মিলে বন্ধু হওয়া, জীবন তো নয় একা
বন্ধু যখন ছিলো পাশে, সহজ আকাশ দেখা

বন্ধু তোদের কথা আমার মনে আছে খুব
ছেড়ে যাওয়া সবুজ ঘাসে ছোটবেলার সুখ
বেড়ে ওঠা যে বয়সে সে বয়সের কালে
সবাই ছিলাম, আজো আছি, একটুকু আড়ালে

সবাই মিলে বন্ধু হওয়া, জীবন তো নয় একা
বন্ধু যখন ছিলো পাশে, সহজ আকাশ দেখা

টিফিন পিরিয়ড, ছোটাছুটি, অবাক করা দিন
বন্ধু, তোদের কাছে আমার অনেক কথা, ঋণ
সেসব কথা বলবো যে আজ, হাতটা রেখে হাতে
ছোটোবেলার মত করে জীবনটা রাঙাতে …

সবাই মিলে বন্ধু হওয়া, জীবন তো নয় একা
বন্ধু যখন ছিলো পাশে, সহজ আকাশ দেখা

একটু একটু বেড়ে ওঠার দিন

রেমিয়েন থীম সং

কথাঃ শেখ রানা

সুরঃ নাকিব ও রানা

কন্ঠঃ শ্রাবণ, সজীব ও নাকিব

একটু একটু বেড়ে ওঠার দিন
বন্ধুরে তোর কাছে আমার
ভালোবাসার ঋণ।

দ্যাখ ভেবে দ্যাখ কতটাকাল
একসাথে তুই আমি
অপাপবিদ্ধ চোখে সুদূর
স্বপ্ন আগামীর …

বন্ধু তোর জন্য মেঘদল
ছেলেবেলার মত আবার
বৃষ্টি ভিজি চল,
বন্ধু তোর জন্য শঙ্খ ভোর
দুঃখ উধাও, সমস্ত সুখ
যাক হয়ে যাক তোর।

স্মৃতির দেরাজ সরল হাওয়ায়
মুগ্ধ অমলিন
বন্ধুরে তোর কাছে আমার
ভালোবাসার ঋণ …

তোমার কি আর দুঃখ পেলে চলে

কথাও কন্ঠঃ শেখ রানা

সুর ও সঙ্গীতঃ বনি আহমেদ

ব্যান্ডঃ নস্টালজিক

তোমার কি আর দুঃখ পেলে চলে

মেদুর আকাশ বৃক্ষ সবুজ

তোমার কথা বলে

তোমার কি আর দুঃখ পেলে চলে

ভাবনা নিয়ে উদাস তেপান্তর

শান বাঁধানো স্মৃতির পুকুর ঘাট

পাকুর গাছের ছায়া ছায়াতলে

সন্ধানী চোখ, চোখটা খুঁজে পাক

তোমার কি আর উদাস হলে চলে

সাঁঝের বেলা সবুজ টিয়া তোমার কথা বলে


এক একটা রাত, এক একটা স্বপ্ন

নৈঃশব্দের দীর্ঘ প্রহর শেষে

স্বপ্ন যখন চন্দ্রকাতর হয়

আকুল বর্ষা গান ধরে আবেশে

তোমার কি আর আকুল হলে চলে

অঝোর ধারায় বৃষ্টি শুধুতোমার কথা বলে

গুচ্ছ ঘাসের সবুজ

কথা ও কন্ঠঃ শেখ রানা

সুর ও সঙ্গীতঃ বনি আহমেদ

ব্যান্ডঃ নস্টালজিক

গুচ্ছ ঘাসে সবুজ আকাশ নীল

দিন ঘুমাবে আকাশ বুকে নাও

যে রঙ আমি দেখিনি কোথাও

সে রঙ চোখে আকাশ দেখে যাও


সূর্য তখন বিমূর্ত সুন্দর

মুগ্ধ সাঁঝে পথিক শান্ত পথ

সারাদিনের কোলাহলের রেশ

পাখির ডানায় সাঁঝের অনুভব


অনুভূতির কোমল আলিঙ্গন 

সাঁঝের আকাশ অপূর্ব বিস্ময়

আকাশ দেখি, আকাশ ও আমার

তেপান্তরে হবে পরিচয়

আমি যখন স্বপ্ন দেখি

কথা ও কন্ঠঃ শেখ রানা

সুরঃ অমিত ও রানা

সঙ্গীতঃ বনি আহমেদ

ব্যান্ডঃ নস্টালজিক

আমি যখন স্বপ্ন দেখি
আকাশটা হয় হাওয়াই মিঠাই রঙ
ফুলগুলো সব নীল বেগুনী লাল
অপার্থিব বাতাস উন্মাতাল

আমি যখন স্বপ্ন দেখি
রাতের তখন গোপন উৎসব
জোছনা বিধুর মাতাল অনুভব
বৃষ্টি পড়ে, ঘুঙুর রুমঝুম

আমি যখন স্বপ্ন দেখি সবার তখন ঘুমের দেশের ঘুম

আমি তখন বৃষ্টি মাখি
অপূর্ব তার জল যেনো চুম্বন
বৃষ্টি মানেই উদাসি কথন
স্বপ্নে কুহক ছায়াশরীর যার

স্বপ্নে দেখি তার দু’ চোখের কালো ছুঁয়ে মেঘ ও মল্লার

আমার যখন স্বপ্ন ভাঙ্গে
আকাশ তখন হাওয়াই মিঠাই রঙ
আধাঁর তখন বিবাগী, নিশ্চুপ
সবুজ ঘাসে শিশির অপরুপ

আমার যখন স্বপ্ন ভাঙ্গে, স্বপ্নগুলো অপেক্ষাতে কার

রোদ হয়ে ছুঁই
কথা-সুর- কন্ঠ: রানা
সঙ্গীত: রাসেল

ব্যান্ডঃ নস্টালজিক

রোদ হয়ে ছুঁই
বৃষ্টি নামাই
মেঘ হয়ে,মেঘবতী
তোর কাছে যাই

রোদ হয়ে ছুঁই
দুপুর উদাস
তোর পথে ছায়াতরু
সবুজের চাষ

বৃষ্টি নামাই
তোর প্রিয় খুব
পরিযায়ি পাখিগুলো
ভিজছে,ভিজুক

ও মেঘবতী মেয়ে
তুই অপরুপ
শাল পিয়ালের বনে
জোছনা জ্বলুক

ও মেঘবতী মেয়ে,তুই অপরুপ

প্রহরীর মতো রাত
কথা ও সুর: রানা
সঙ্গীত: সামি ও বাপ্পী

ব্যান্ডঃ নস্টালজিক

প্রহরীর মত রাতগুলো দেয়
রাত জেগে পাহাড়া,
আমার তখন বেভুল ঘুমে
রাত কাটে জোছনায়
অলীক সাদা শঙ্খচীলের
অন্তর পরিযায়ী
দেয়ালঘড়ি আমায় দেখে দেয়ালের আয়নায়

আয়নাগুলো যত্নে ধরে
মুহূর্ত,সন্ধা
নগর বাতাস পৌঁছে দিলো
রাত ট্রেন, হুইসেল
হাত বাড়িয়ে বৃষ্টি খুঁজি
চৈত্র দীঘল রাত
ভাগ হয়ে যায় অপাপবিদ্ধ স্বপ্ন ধারাপাত

ধারাপাতের জীবন ঘুমায়
নিয়ম করে জাগে
মন ছবিতে দৃশ্যকল্প আঁকছি
ইমন রাগে
চোখ খুলি যেই, মেঘগুলি সব
সোনার সিংহ হয়
জেগে থেকে এতটা কাল ঘুমের অভিনয়

গেটলক সার্ভিস
কথা- রানা
সুর ও সঙ্গীত- বনি আহমেদ

ব্যান্ডঃ নস্টালজিক

সবুজ বাতির নির্দেশনা ভুল
ভুল করে পথ দেখাচ্ছে আকাশে
বাস এর ভিতর উপচে পড়া ভিড়
ইচ্ছে হলো হঠাৎ আমি মেঘের বাড়ি যাবো

যাওয়া পথে জ্যাম নেই, জ্যাম নেই
একটা পাখি থামায়, চেকিং করে
মুখ গম্ভীর বিরক্ত হয় কেউ
মেঘের গলি বন্ধ তখন চলছে খনন কাজ

ট্রাফিক টিয়া হুইসেল দেয় জোর
পয়েন্ট কেটে লাইসেন্স বাতিল
আমি ভীষন মজা পেতে থাকি
টিয়া ট্রাফিক ঘামে ভিজে ফাইন করে দেয় আজ

হঠাৎ করে বৃষ্টি রিমঝিম
একটা ফোঁটা আমার পাখায় জল
পাখীগুলো সব ফেলে ভোঁ দৌড়
যে যার বাড়ি সবাই থাকে বনানী গুলশান

আকাশপথে নিমিষে সব ফাঁকা
আমি হাঁটি পায়ের তলায় মেঘ
জানি কেউ বিশ্বাস করবে না
‘ ভেঁপু বাজান ‘- বাস চলে যায় শিয়াল বাড়ির গেট

‘ নামেন, নামেন কই থিকা যে আহে ‘
উঠে বসে চোখ কচলে হাসি
বিরতিহীন গেটলক সার্ভিসে
চোখ বুঁজি আর প্রতিটা দিন মেঘকে নিয়ে আসি

স্যাটেলাইট
কথা ও সুর: রানা
সঙ্গীত: সামি ও বাপ্পী

ব্যান্ডঃ নস্টালজিক

আকাশ ভর্তি তারা দেখতে চাই
স্যাটেলাইটে ভর্তি আকাশ,
একটা তারাও নাই

দেয়াল জুড়ে দেখতে চাই গান
মিথ্যে কথায় ভর্তি দেয়াল
সবাই দেখে যান

সবাই কেমন দেখছে ব্যাকুল হয়ে
ভাবছে এসব বদলাবে, খুব
কিছু বলে কয়ে

কিচ্ছু করে কিচ্ছু হবে না
স্যাটেলাইটের ইজারাতে
হাসছে চাঁদ মামা

আপনিও তাই হেসে উঠুন রোজ
লালন শাহ এর ইমারতে
লালন শাহ নিখোঁজ

খোঁজ করে আর কি হবে দুর ছাই
খোলা মাঠ খুঁজে পেলো
টাকার বনসাই

উঠে গেলো আকাশ ছোঁয়া ফ্ল্যাট
এই শহরে আমরা চিবুই
ইন্ডিয়ান কিটক্যাট

এত বড় হয়নি বুকের পাটা
দাদা-দিদি বন্ধু সবাই
সীমান্তে তারকাঁটা

তারকাঁটাতে মরছে যে, সে চোর
ফেসবুকে ঝড় তুলে টুলে
আমরা হই খবর

আকাশ-টা তাই স্যাটেলাইটে আঁকা
আমি যতই খুঁজি তারা
আর কি হবে দেখা

আর হবে না দেখা কোনোদিন
আকাশ তোমার কাছে থাকুক
জোছনা রাতের ঋন

আমায় তুমি মনে রেখো ভাই
স্যাটেলাইটের ফাঁক গলে যেই
তোমায় দেখতে পাই

তোমায় দেখে ঘুমিয়ে পরি, থাক!
এসব কথা বললে, ভয়
ক্ষমতা নিষ্পাপ
আমি বরং শেষ করে দেই, আর-
দেয়াল জুড়ে থাকুক না হয়
ভিনদেশী পোস্টার
মানিক মিয়া এভিনিউ-তে হাসছে গোপাল ভাড়

পোড়া শহর
কথা ও সুর: রানা
সঙ্গীত: বনি আহমেদ

ব্যান্ডঃ নস্টালজিক

পোড়া শহর,এক একটা উত্তাপ
খামচে ধরে বুক পাঁজরের হাড়
আগুন আলোয় মুহূর্ত শ্মশান
ভীড় বাড়ে,ঘুম ভাঙ্গে-অন্ধকার

হলুদ আগুন, হলুদ গায়ে রঙ
বিস্ফোরণে সমস্ত বিভ্রম
দেয়াল ঘড়ি,সময় বাড়ে রাত
সব পুড়ে যায়,আগুন পুড়ে যাক

আগুন,তুমি পাহাড়ে হারাও
আগুন,তুমি সমুদ্র জল নাও
আগুন,তুমি নির্বাসনে যাও
মধ্য রাতের ভুল পথ, ভুল বাতাস

বন্ধু তোমার শহর অচেনা
পাখিগুলো হারায় ফেরে না
ফিনিক্স জাগে, অপেক্ষাতে তোমার
ভষ্ম ছাইয়ে উঠে দাড়াবার

বর্ষা অনুভূতি
কথা ও সুর: রানা
সঙ্গীত: রাসেল

ব্যান্ডঃ নস্টালজিক

বৃষ্টিগুলো দেয়াল ছুঁয়ে ধোঁয়া হয়ে যায়
কৃষ্ণচূড়া বৃষ্টি ভেজে,লাল রঙ মন গাঢ়
অঝোর ধারায় বৃষ্টি নামে,অচীন সুদুর মেঘে
পাহাড় ও কি উদাস তখন,মনটা উদাস তারও

সকল পাখী গাছের ছায়ায়,একটা ভেজে জলে
সেই পাখীটার দৃষ্টি আকুল,সুদুরচারী চোখ
আমারও খুব ইচ্ছে করে মেঘমল্লার ছুঁয়ে
বৃষ্টি ভেজা সেই পাখীটার সাথে সখ্য হোক

দীঘল কালো চুলের সিঁথি,বাতাস চৌরাসিয়া
মুহূর্তটা যাক ছুঁয়ে যাক গন্ধ সোঁদা মাটি
বৃষ্টি ভেজা গাছগুলো সব আনন্দ উত্থান
বৃষ্টি ধোঁয়া সবুজ পাতা,বর্ষা অনুভুতি

মন খারাপের পরেও

কথাঃ শেখ রানা

সুর সঙ্গীত ও কন্ঠঃ বাপ্পা মজুমদার

অ্যালবামঃ বেঁচে থাক সবুজ

আমার মন খারাপের পরেও

আমি আছি রে তোর পাশে

আমার অনেক বিষাদ ভোরেও

আকাশ রাখছি তোর আকাশে

আমার অনেক ভাটার স্রোতেও

আমি উজান তোকে দিয়ে

আমি ছিলাম ভীষন একা

আমি আছি ছায়া নিয়ে

তোকে দিলাম শঙ্খ সাদা

একটা স্বপ্ন ঘুড়ির সাথে

তোর মন ভালো থাক দিনে

তোর মন ভালো থাক রাতে

আমার মন খারাপের পরেও

আমি ভাবছি তোর-ই কথা

আমার একশ দিবস যাবে

তোর ভাবনা নিয়ে একা

তুমি ছিলে হঠাৎ তুমি নাই

কথাঃ শেখ রানা

সুর সঙ্গীত ও কন্ঠঃ চন্দন (উইনিং)

তুমি ছিলে হঠাৎ তুমি নাই

তুমি ছিলে হঠাৎ তুমি নাই

সবাই থাকে, কেউ চলে যায় দূরে

তুমি ছিলে হঠাৎ তুমি নাই

বোহেমিয়ান নদীর অচীন সুরে

সেই নদীতে ঢেউ ভাঙ্গা তোলপাড়

অযুত স্বপ্ন, সহস্র রাত একা

রাতপ্রহরীর রাত কাটে না, হায়!

হয় না যে আর সূর্য শপথ দেখা

তুমি ছিলে সবুজ ছিলো বনে

ফিরে চাওয়া আকাশচারী মেঘে

মেঘের ভাঁজে বৃষ্টি এখন তুমি

চোখের কোনে বিমূর্ত আবেগে

তুমি ছিলে হঠাৎ তুমি নাই

অভিমানী, অনেক পথের দূরে

জোছনাগুলো যায় নিভে যায় আজ

বিষাদ ছুঁয়ে আমার হৃদয়পুরে

বৃষ্টি

সুর, সঙ্গীত ও কন্ঠঃ পার্থ বড়ুয়া

ব্যান্ডঃ সোলস

অ্যালবামঃ জ্যাম

বৃষ্টি কখন কার শিয়রে

জলের কনা আদর করে

স্বপ্ন ছিলো ঘুমের দেশে

স্বপ্ন শুরু খুব আবেশে।

বৃষ্টি পড়ে চাঁদ ছুঁয়ে যায়

আকাশপ্রদীপ বন্ধু পাতায়…

জোছনাগুলো জ্বলছে ভীষণ

পার্থিবতার অন্য ভুবন

বৃষ্টি পড়ে সব ধুয়ে যায়

আলো তখন মুখ তুলে চায়।

কী যে মধুর মুহূর্ত কার

স্বপ্ন শুরু বৃষ্টি সবার

ভিজছি আমি স্বপ্ন সাথে

বৃষ্টি শুরু খুব আবেশে।

জোছনা তখন নিচ্ছে বিদায়

চাঁদটা বলে সূর্যকে আয়

আঁধার তখন নিচ্ছে আলো

স্বপ্নটাকে ডাক পাঠালো

ভাঙছে আমার স্বপ্ন, জাগি

বৃষ্টি ভেজা রেশটা রাখি।